কেন এত অসহায় প্রবাসীরা,মালয়েশীয়া

বাংলাদেশ স্বাধীনতার 48 বছর তবুও কেন আজ বাঙালিরা সারা বিশ্বের কাছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে নাই কেন আজ বাঙালিরা অসহায় দেশ-বিদেশে কেন তারা নির্যাতিত ?30 লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আজকের এই বাংলাদেশ তবে আজও কেন বাঙালিরা বিদেশে শ্রমিক হিসেবে নিজেদের জীবন মান ইজ্জত বিলিয়ে দিবে।
গত 5 ফেব্রুয়ারি ইমিগ্রেশন অভিযানের সময় লুকানোর একটি ব্যর্থ চেষ্টা
উল্লেখ্য যে মালয়েশিয়ায় এখনো অনেক বাংলাদেশী অবৈধ রয়েছেন,2016 সাল থেকে 2018 সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় অবৈধদের বৈধ করণ প্রক্রিয়া চলমান ছিল।আরে হারিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাড়ে 7 লাখ বিদেশে শ্রমিক বৈধ হওয়ার জন্য আবেদন করেন এদের মধ্যে 5 লাখ ভিসা পেয়েছেন আরো আড়াই লাখ এখনো নানা জটিলতায় বৈধ হতে পারেননি অনেকেই অবৈধ হয়ে গেছেন
ইমিগ্রেশন পুলিশের গাড়ি দিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য
বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি মালয়েশিয়ায় যারা বৈধ হওয়ার জন্য 7 থেকে 9 হাজার রিঙ্গিত দালালদেরকে দিয়েছেন এত টাকা দেয়ার পরও তারা বৈধ হতে পারেননি তারা নিজ বাংলাদেশি দালালদের মাধ্যমে প্রতারিত হয়েছেন এর চেয়ে কষ্টের আর কি হতে পারে হতভাগা শ্রমিকদের । অনেক বাংলাদেশী অবৈধ প্রবাসী যারা আশা করেছিলেন নতুন বছরে অর্থাৎ 2019 সালে নতুন করে বৈধ করণ প্রক্রিয়া চালু করবেন কিন্তু মালয়েশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে বলেন নতুন করে আবার কোন বৈধকরণ প্রক্রিয়া তারা চালু করবেন না।এর ফলে যারা এত দিন আশায় আশায় বুক বেঁধেছিলেন বৈধ হওয়ার জন্য তাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ আর একটু বেড়ে গেল।ফেব্রুয়ারি 4 তারিখ 4 তারিখ থেকে মালয়েশিয়ায় শুরু হয়েছে চাইনিজদের নববর্ষের ছুটি লম্বা ছুটিতে অনেক মিল কারখানা ফ্যাক্টরি কনস্ট্রাকশন বন্ধ হয়েছে এর ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক মালয়েশিয়া বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত তাদের আনাগোনা তাদের চলাফেরা বিস্তৃত করেছেন ,
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন পুলিশ এ সুযোগে তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় ফাঁদ  পেতেছেন এর ফলে  অনেক প্রবাসী তাদের ফাঁদে আটকা পড়েছেন।বিশেষ করে মালয়েশিয়ার তিনটি বৃহৎ শহর তথা কলারামপুর জোহর বারু পেনাং এর বিভিন্ন জায়গায় ইমিগ্রেশনে পুলিশের ব্যাপক সংখ্যক অভিযান চালানো হয়েছে।অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক এবং অন্যান্য দেশের যারা মালয়েশিয়ায় কাজ করেন তারাও বের হয়েছেন এ ছুটিতে ছুটি উপভোগ করার জন্য কিন্তু তাদের ছুটি মাটি হয়ে যায় পুলিশের অভিযানের কারণে বিশেষ করে কুয়ালালামপুরের কোতারায়া পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের কাছেই পুলিশের ব্যাপক অভিযান করে বহুসংখ্যক বিদেশি শ্রমিকদের আটক করে।

No comments

Powered by Blogger.